বেনাপোল, ১১ এপ্রিল ২০২৫ (দৈরাস):
বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন কাস্টমসে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ঘুসবাণিজ্যে আমদানী যোগ্য মালামাল পাসপোর্টপোর্ট যাত্রীর মাধ্যমে এনে মোটা অংকের ঘুষ বাণিজ্য করে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগে উঠেছে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আফতারুল ইসলামের নামে। তার চাহিদামতো ঘুষ না দিলে সাধারণ মানুষের মালামাল কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। ঘুষ নেওয়ার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই অনেকের মাল ডিএম করা হচ্ছে।
জানা যায়, সরকারের শুল্ক ফাঁকি দিতে এক ধরনের ব্যবসায়ীরা আমদানি যোগ্য বিভিন্ন প্রকার কসমেটিক ও খাদ্য দ্রব্য ভারতীয় পণ্য পাসপোর্ট যাত্রীর মাধ্যমে কাস্টমসকে ম্যানেজ করে নিয়ে আসেন। এসব যাত্রীরা প্রতিদিন কয়েক মে. টন ওজনের বিভিন্ন পণ্য নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন। পরে সন্ধ্যায় আবার ফিরে যায়। তবে কাস্টমস ঘুষ বাণিজ্য করে এসব পণ্য ছাড়লেও সীমান্তে নিয়েজিত বিজিবি সদস্যরা পন্যেও সাথে বৈধ কাগজ পত্র না থাকায় আটক করছে। এনিয়ে দুই সংস্থ্যার মধ্যে মাঝে মধ্যে বিরোধ দেখা যায়।
সরজমিন গিয়ে দেখা গেছে, ভারতীয় একাধিক পাসপোর্ট যাত্রী বিজনেস ভিসার মাধ্যমে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে বিভিন্ন পন্য সামগ্রী নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে তাদের মধ্যে যারা অত্যাধিক পণ্য নিয়ে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলামের মাধ্যমে এসেছেন তাদের পণ্য গুলো তিনি বাহিরে চলে যেতে সাহায্য করেছে এবং যারা তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না করে অল্প কিছু পণ্য সামগ্রী নিয়ে এসেছেন তাদের পন্য গুলো কেড়ে নিয়ে ডিএম করে দিচ্ছেন।
নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক এক কাস্টমস কর্মকর্তা বলেন , প্রতিদিন ভারতীয় ল্যাগেজ পার্টি পণ্য নিয়ে ওপারে থাকে। পরে এ পাশে কিছু স্থানীয় অসৎ ব্যাবসায়ীরা লেবার ও এআরও আফতারুল ইসলামের সাথে যোগসাজোশ করে সকালে না হলে দুপুরে বা সন্ধার পর সুযোগ বোঝে মোটা অংঙ্কের টাকার বিনিময়ে ভারতীয় পণ্য শুল্ক বাদে আনার কাজ করে থাকে। সন্ধার পর কাস্টমস কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এর লোক এসে ল্যাগেজ পার্টিদের কাছ থেকে ঘুষের টাকা সংগ্রহ করে তিনি আরো জানান যদি কাস্টমস উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা এসব ঘুষ বাণিজ্য বিরুদ্ধে দ্রুত পদক্ষেপ না নেয় তাহলে সরকার অনেক রাজস্ব হারাবে। সে দিকে কতৃপক্ষকে সুনিদিষ্ট নজরদারি করার জোর দাবী জানান।
এবিষয়ে সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা আফতারুল ইসলামের সাথে যোগাযোগের একাধিক চেষ্টা করে যোগাযোগ সম্ভব হয়নি।