1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
বাংলাদেশের প্রতি রক্তচক্ষু দেখিয়ে লাভ নেই : এসএম জিলানী - জাতীয় দৈনিক নাগরিক
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী অপতথ্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীগণকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

বাংলাদেশের প্রতি রক্তচক্ষু দেখিয়ে লাভ নেই : এসএম জিলানী

জাতীয় দৈনিক নাগরিক ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০২৪
  • ৩২ বার পঠিত
এদিকে লং মার্চকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় ছিল কড়া নিরাপত্তা। কাস্টমস এলাকা পর্যন্ত লোকজনকে আটকে দেয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া, ১১ ডিসেম্বর ২০২৪ (দৈরাস):
ভারতের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এসএম জিলানী বলেছেন, ভারত চট্টগ্রামকে তাদের বলে দাবি করে। আমরাও তো সিরাজউদ্দৌলার পশ্চিমবঙ্গকে দাবি করতে পারি। সেটাও বাংলাদেশের অংশ। আজকে লং মার্চের মাধ্যমে যদি আপনাদের সুবুদ্ধির উদয় না হয়, তাহলে আমরাও দেশের পাহারায় থাকব। তাই বলছি বাংলাদেশের প্রতি রক্তচক্ষু দেখিয়ে লাভ নেই। আগস্ট বিপ্লবে বাংলাদেশের জনগণ ঐক্যবদ্ধ সেটি প্রমাণ করেছে।

বুধবার (১১ ডিসেম্বর) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার সীমান্তে আয়োজিত সমাবেশে নেতারা ভারতকে এই হুশিয়ারী দেন। আখাউড়া স্থলবন্দরের ট্রাক স্ট্যান্ডে সমাবেশ করে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে সমাবেশ শুরু হয়ে সন্ধ্যায় শেষ হয়। আগরতলা সীমান্ত থেকে ১০০ মিটার দূরে স্থলবন্দর মাঠে এই সমাপনী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে যুবদল সভাপতি মোনায়েম মুন্না বলেন, বাংলাদেশের জনগণ অত্যন্ত স্বাধীন চেতা জাতি। আমরা বাংলাদেশের ভূখণ্ডের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সজাগ। ভারতে বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনের নিরাপত্তা দেওয়ার দায়িত্ব ভারতের। তারা সেটা করতে ব্যর্থ হয়েছে। আর বাংলাদেশকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে দেখতে হবে। আমাদের কোনো প্রভু নেই। আমরা ভারতকে প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে দেখি। আর শেখ হাসিনা সরকারকে ভারত আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিয়েছে। অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে শেখ হাসিনাকে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি। আপনারা ভারতকে বলেন, শেখ হাসিনাসহ তাদের দোসরদের ফিরিয়ে দিতে।

তিনি আরো বলেন, ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য নিজেকে সব সময় গণতান্ত্রিক দাবি করে। তবে বাংলাদেশের গণতন্ত্র নষ্ট করার জন্য ভারত প্রতিবার ষড়যন্ত্র করে আসছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারত বারবার হস্তক্ষেপ করেছে। শুধু তাই নয়, ভারত সীমান্তে হাজার হাজার বাংলাদেশের জনগণকে গুলি করে হত্যা করেছে। অনতিবিলম্বে ভারত সীমান্তে এই হত্যা বন্ধ করতে হবে। ভারতকে বাংলাদেশ থেকে ইলিশসহ নানা কিছু উপহার দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তার বদলে ভারত আমাদের সাথে অসদাচরণ করে।

সভায় যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ভারত ও বাংলাদেশ পাশাপাশি রাষ্ট্র। আমরা বলেছি, ভারত বন্ধু রাষ্ট্র। কিন্তু সেখানে আমাদের সহকারী হাইকমিশনে হামলা হয়েছে,পতাকা পুড়িয়েছে। সীমান্তে আমাদের দেশের নাগরিকদের গুলি করে মারছে, ফেলানিকে হত্যা করে কাঁটাতারে ঝুঁলিয়ে রাখে। এটা কোনো বন্ধু রাষ্ট্রের কাজ হতে পারে না।

তিনি বলেন, ভারত একটি আধিপত্যবাদী রাষ্ট্র। ভারতের আর্শিবাদে এদেশে স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এখন হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছে। দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান বলেন, দাসত্ব নয়, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য জীবনকে বাজি রাখতে হবে। প্রয়োজনে দেশের সম্মান রক্ষায় আবারও রক্ত দেবো। তবুও দিল্লির দাসত্ব মানবে না এদেশের জনগণ।

ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেন, এই লংমার্চ সফল হয়েছে। হাজার হাজার নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণে এই লংমার্চ শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতকে স্পষ্ট বার্তা দিচ্ছি, শেখ হাসিনা আপনাদের পৃষ্ঠপোষকতায় হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গুম ও খুন করা হয়েছে। সুতরাং যতই ষড়যন্ত্র করুন না কেন, তা সফল হবে না।

এদিকে লং মার্চকে ঘিরে সীমান্ত এলাকায় ছিল কড়া নিরাপত্তা। কাস্টমস এলাকা পর্যন্ত লোকজনকে আটকে দেয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী।

লংমার্চে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না, ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান, যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল করিম পল, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক কামরুজ্জামান জুয়েল, ঢাকা জেলা যুবদলের সভাপতি ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, দপ্তর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম, ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মো. সারোয়ার হোসেন।

এছাড়াও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির আহবায়ক এড আব্দুল মান্নান ও সদস্য সচিব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ ও জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য কবির আহমেদ ভূইয়াসহ জেলা ও উপজেলা নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ভারতের আগরতলায় বাংলাদেশের সহকারী হাইকমিশনে হামলা, বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা অবমাননা, ভারতীয় মিডিয়ায় অপপ্রচার ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাঁধানোর ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদে ঢাকা থেকে আগরতলা অভিমুখে লংমার্চ করেছে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন। সকাল ৯টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে লংমার্চ শুরু হয়ে পল্টন- ফকিরাপুল- ইত্তেফাক মোড় হয়ে ফ্লাইওভার হয়ে সাইনবোর্ড- চিটাগং রোড- কাঁচপুর মোড়- তারাবো- বরফা- ভুলতা, গাউছিয়া-চনপাড়া, মাধবদী- পাঁচদোনা- সাহেপ্রতাব, ভেলানগর- ইটখোলা- মারজাল- বারুইচা হয়ে দুপুর সাড়ে ১২টায় ভৈরব পৌঁছায়। সেখানে সংক্ষিপ্ত পথসভা করে বিকেল সাড়ে ৩টায় আখাউড়া গাড়িবহর পৌঁছায়। ভৈরব থেকে লংমার্চ নিয়ে বিকেল সাড়ে ৩টায় আখাউড়া সীমান্তে পৌঁছান নেতাকর্মীরা।এতে লাখো নেতাকর্মীর ঢল নামে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park