1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
হোটেল রিমন, ইসলামিয়া, অরণ্য, তাজ ও রয়েলের
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী অপতথ্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীগণকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

রাজধানীর বাড্ডায় হোটেল রিমন, ইসলামিয়া, অরণ্য, তাজ ও রয়েলের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ!

ঢাকা, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (দৈজাস):
  • আপডেট সময় : রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ১৬৬ বার পঠিত
রাজধানীর বাড্ডায় হোটেল রিমন, ইসলামিয়া, অরণ্য, তাজ ও রয়েলের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ!

ঢাকা, ০১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (দৈরাস):
রাজধানীর বাড্ডা এলাকায় ব্যাঙের ছাতার মত গড়ে উঠেছে আবাসিক হোটেল এর আড়ালে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত পতিতালয় ও মাদকের আখড়া। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই চলছে অর্থলোভী কিছু অসাধু ব্যবসায়ীদের রমরমা দেহ ব্যবসা।

উক্ত হোটেলগুলো প্রতিনিয়ত বহিরাগত কপত কপতিকে স্বামী-স্ত্রী সাজিয়ে অধিক মুনাফা লাভের আশায় হোটেল মালিকগণ তাদের পালিত ম্যানেজার ও দালাল চক্রের মাধ্যমে রুম বরাদ্দ দিয়ে অনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা করে থাকেন। এতে করে এসমস্ত এলাকার সামাজিক পরিবেশের অবক্ষয় সৃষ্টি হচ্ছে। আর এসমস্ত হোটেলগুলোতে উঠতি বয়সী ছেলে-মেয়েদের আনাগোনাই বেশি।

বিশেষ করে বাড্ডা, মধ্যবাড্ডা, উত্তরবাড্ডা, দক্ষিণবাড্ডা এলাকায় স্কুল-কলেজের সংখ্যা বেশি হওয়ায় অবৈধ আবাসিক হোটেলগুলোর খদ্দেরদের একটি বড় অংশই স্কুল-কলেজের উঠতি বয়সের ছাত্র-ছাত্রীরা। আবার বিভিন্ন স্কুল-কলেজের সামনে হোটেলগুলোর ভিজিটিং কার্ডে অমক ভাই, তমক ভাইয়ের মোবাইল নাম্বারসহ পরে থাকতে দেখা যায়। বাড্ডা এলাকায় বেশ কিছু হাসপাতালও রয়েছে। ফলে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও রোগীর আত্মীয় স্বজনদের রাত্রী যাপনে একমাত্র সম্বল হয় আবাসিক হোটেলগুলো। আর এসমস্ত আবাসিক নামের আড়ালের হোটেলগুলোতে দেহ ব্যবসার পাশাপাশি যোগান দেওয়া হয় নিষিদ্ধ ঘোষিত ইয়াবা, ফেন্সিডিল, হেরোইনসহ বিভিন্ন মাদকের। আর এতেই ধ্বংস হচ্ছে দেশের যুব সমাজ, বলে মনে করেন সমাজবিদগণ।

প্রবাদে আছে “চোরে না শোনে ধর্মের কাহিনী” আবাসিক হোটেলের আড়ালে পতিতাবৃত্তি ও মাদকের আখড়া গড়ে তোলার বিষয়টি অকপটে স্বিকারও করেন হোটেলগুলোর ম্যানেজার ও মালিক পক্ষরা।

ছবি : মানব পাচারকারী সদস্যরা

ম্যানেজার ও মালিকপক্ষগণের সঙ্গে কথা হলে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে দৈনিক রাষ্ট্রীয় সংবাদ পত্রিকার অনুসন্ধানে। স্বৈরশাসক ও ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে প্রশাসন থেকে শুরু করে এলাকার নামধারী নেতাদেরকেও ম্যানেজ (উপঢৌকন) করে এই পতিাতাবৃত্তি করেছেন বলে জানান তারা।

দৈনিক রাষ্ট্রীয় সংবাদ পত্রিকার অনুসন্ধানে বাড্ডা এলাকায় অবস্থিত (১) হোটেল রিমন প্যালেস আবাসিক, (২) হোটেল রয়েল আবাসিক, (৩) ইসলামিয়া ফ্রেশ আবাসিক হোটেল (যার পূর্বের নাম- ঢাকা বোর্ডিং), (৪) হোটেল তাজ ফ্রেশ আবাসিক ও (৫) মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত হোটেল অরণ্য আবাসিক (যার পূর্বের নাম- হোটেল মোহনা আবাসিক) নামে আবাসিক হোটেলের আড়ালে করা হয় পতিতাবৃত্তি ও মাদক বাণিজ্য এমন তথ্যই উঠে আসে।

অনুমোদহীন ভাবে হোটেল কার্যক্রম পরিচালনা-

জেলা প্রশাসক কর্তৃক কোনো প্রকার অনুমোদন না নিয়ে, শুধুমাত্র সিটি কর্পোরেশনের নিকট থেকে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করে চলমান রয়েছে। এমনকি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আবাসিক হোটেল গড়ে তোলার জন্য যে সমস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে তার কোনটিই নেই তাদের। ফলে যত্রতত্র গড়ে ওঠা এসমস্ত হোটেলগুলোর আশ-পাশের বাসিন্দাদের জন্য হয়ে উঠেছে হুমকি স্বরূপ।

বিভিন্ন জেলা থেকে আগত বর্ডাররা না বুঝে এসব আবাসিক হোটেলে উঠে বিব্রতকর অবস্থার শিকারও হচ্ছেন অহরহ। উক্ত হোটেলগুলো আড়াল থেকে পরিচালনা করেন মাদারীপুর জেলার মনিরুজ্জামান মনির নামের এক ব্যক্তি। আর তারই সহযোগী হিসেবে কাজ করেন, খসরু চৌধুরী, মেরুল বাড্ডার আল-আমিন খান (অনিক) ও ওবায়দুলসহ আরও কিছু মানবপাচার দালাল চক্র। উক্ত বিষয়ে হোটেলগুলোর মালিক মনিরুজ্জামান মনির’র মুঠো ফোনে কল করলে তিনি ফোনটি রিসিভ করেননি।

তবে হোটেল রয়েল আবাসিকের ম্যানেজার ওবায়দুল’র নিকট জানতে চাইলে তিনি জানান, আপনাদের কাছে লুকানোর কিছু নেই, দুই একটি যা বর্ডার পাই তাতে আমাদের হোটেল চালানো কষ্টসাধ্য। যার কারণে আমরা হোটেলে কিছু মেয়ে দিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করে থাকি। তবে বর্তমানে ছাত্র-জনতাদের জ্বালায় আমরা ঠিকমত ব্যবসাও করতে পারছি না।

বাড্ডা এলাকার স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, প্রতিদিন হোটেলগুলোর নিচে দালালরা ঘোরাঘুরি করে এবং আমরা যারা ফুটপাত দিয়ে যাওয়া আসা করি আমাদের উদ্দেশ্য করে তারা বলেন, লাগবে নাকি! আমাদের সঙ্গে আমাদের পরিবার ও বাচ্চারাও এদের নোংরা কথা শোনে এবং পরবর্তীতে আমাদেরকে প্রশ্ন করলে আমরা বিব্রতকর অবস্থায় পরি।

এসমস্ত হোটেল সম্পর্কে স্থানীয়রা যা বলছেন-

গণমাধ্যমে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ করলে ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তাদের পালিত পুলিশ প্রশাসন নাম মাত্র মাঝে মধ্যে দু’একটি অভিযান পরিচালনা করত। অভিযান পরিচালনা করে এদের বিরুদ্ধে মামলা দিলেও কিছু দিন পরে আইনের ফাঁকফোকরে বেড়িয়ে এসে পুনরায় এরা আবারো অবৈধ কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত হচ্ছিলো। এতে করে আমরা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ সঙ্কায় রয়েছিলাম। দিন দিন বাড্ডা এলাকায় আবাসিক হোটেলের আড়ালে এদের অনৈতিক কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে।

এসময় বর্তমান দেশের যোদ্ধা ছাত্র-জনতা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যেনো সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এদের অবৈধ কার্যকলাপ নির্মূলে এগিয়ে আসেন এই কামনা করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
চলবে…

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park