ঢাকা, ৫ জুন, ২০২৪ (দৈরাস):
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ঢাদসিক) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তওহীদ সিরাজের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।
বুধবার (৫ জুন, ২০২৪ ইং) এক শোকবার্তায় ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, প্রয়াত তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তওহীদ সিরাজ অত্যন্ত দক্ষ ও কর্মঠ কিন্তু নিভৃতচারী কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি একজন ভদ্র ও ভালো মানুষ ছিলেন। অর্পিত দায়িত্বের প্রতি ছিলেন অত্যন্ত সচেতন ও যত্নবান। কাজের প্রতি তার দরদ ও মমত্ববোধ অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে তার কার্যকর ভূমিকা ছিল উল্লেখ করে ঢাদসিক মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস বলেন, পূর্বে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও বাজার (মার্কেট) নির্মাণ কার্যক্রমে চরম অব্যবস্থাপনা ছিল। তার নিবিড় তত্ত্বাবধানে করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কার্যক্রমের জন্য অবকাঠামো নির্মাণ যেমনি গতিশীল হয়েছে তেমনি বর্তমানে বাজার (মার্কেট) নির্মাণ কাজও শৃঙ্খলিত হয়েছে। তার মৃত্যুতে আমরা একজন মেধাবী প্রকৌশলীকে হারালাম। তার অকাল মৃত্যুতে ব্যক্তিগতভাবে আমি ও ঢাদসিক পরিবার অত্যন্ত শোকাহত।
শোকবার্তায় ঢাদসিক’র মেয়র ব্যারিস্টার শেখ তাপস প্রয়াত তওহীদ সিরাজের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
সংশ্লিষ্ট প্রয়োজনীয় তথ্যাদি-
ঢাদসিক’র তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী তওহীদ সিরাজ আজ বুধবার ভোর ৫.৪৪ মিনিটে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৮ বছর।
বনশ্রীতে নিজ বাসায় তিনি ফজরের নামাজ আদায় করেন। নামাজ শেষে তিনি বাসার মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। পরে তড়িঘড়ি করে পার্শ্ববর্তী ফারাজি হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবে করপোরেশনে কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও বাজার নির্মাণ শাখার তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী হিসেবেও অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন। দেড় বছর পর এই প্রকৌশলীর অবসরে যাওয়ার কথা ছিল।
তওহীদ সিরাজের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলায়।। ঢাকা দক্ষিণ সিটির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে আজ বাদ জোহর তওহীদ সিরাজের প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। বাদ আছর মরহুমের বাসার পার্শবর্তী বায়তুল কুদ্দুস জামে মসজিদে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। এরপর আজিমপুর কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে।
ত্তাওহীদ সিরাজ এক ছেলে, স্ত্রী ও অসংখ্য স্বজন রেখে গেছেন।