দৈনিক রাষ্ট্রীয় সংবাদ প্রতিবেদন:
রাজধানীর মিরপুর দারুসসালাম থানাধীন অনুমোদনহীন আবাসিক হোটেলের নামে চলছে অশ্লিল কর্মকান্ড। জেলা প্রশাসকের কার্যলয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এধরনের হোটেলগুলোর নেই কোন অনুমোদন। অনুমোদনহীন হোটেলগুলো শুধুমাত্র ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে কোনমতে বিল্ডিং ভাড়া নিয়ে ঝলমলে আলোয় সাজানো সাইনবোর্ড টানিয়ে রমরমা পতিতা বাণিজ্য চালিয়ে আসছে। শুধু তাই নয় এসব হোটেলগুলো ডিএমপির বিধি নিষেধ অমান্য করেই দেদারসে চলছে আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ, স্পা (বডি ম্যাসাজ), স্কর্ট সার্ভিসের নামে যৌন বাণিজ্য।
» চলছে স্কর্ট সার্ভিসের নামে অসামাজিক কার্যকলাপ;
» চাহিদা মাত্রই মিলবে সুন্দরী রমনী;
» আবাসিক হোটেলের এসব কর্মকান্ড অনেকটাই ওপেন সিক্রেট;
» সকলকে ম্যানেজ করেই ব্যবসা পরিচালনা করি।
অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে রাজধানীর মিরপুর-১ নাম্বারে অবস্থিত ‘নিউ হোটেল গার্ডেন ভিউ’ যার সোস্যাল মাধ্যমে নিউ হোটেল গার্ডেন ভিউ ও হোটেল থ্রি স্টার আবাসিকের নামে দেওয়া অর্ধনগ্ন মেয়েদের চটকদার বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ও হোটেল দালালদের সমন্বয়ে বিভিন্ন ছোট ছোট ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে খদ্দের সংগ্রহ করে হোটেলটির বিভিন্ন কক্ষে পতিতা বাণিজ্য করে আসছেন অবৈধ এ প্রতিষ্ঠানের মালিক আজাদ।
অভিযোগ পাওয়া গেছে, হোটেলটির মালিক আজাদ বড় একটি মানব পাচার সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত।
এ বিষয়ে আজাদের কাছে তার অবৈধ ব্যবসা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমরা সকলকে ম্যানেজ করেই এখানে ব্যবসা করি। আপনারা যা লেখা লেখি করতে পারেন করেন। আমার সঙ্গেও আপনাদের মতো পত্রিকার একজন সম্পাদক ও তার শ্যালক আছেন। তারাই আমার প্রতিষ্ঠানটি দেখা শোনা করেন। কিছু বলার থাকলে তাদেরকে বলতে পারেন।
প্রতিবেদক ঐ পত্রিকার সম্পাদক মোঃ জাকির হোসেন মোল্লা বলেন, আপনি আমাকে চিনেন? আপনার কিছু বলার থাকলে আমার পত্রিকা অফিসে আসেন দেখি আপনি কত বড় সাংবাদিক।
এছাড়াও আজাদের সহযোগীতায় রয়েছে রকি নামের এক দালাল। যার মারফত উক্ত আজাদ হোটেলে নারীদেহ বাণিজ্য চলমান রেখেছেন।
এদিকে মিরপুরে বসবাসকারী স্থানীয় এলাকাবাসীরা অভিযোগ করে বলেন, এসব হোটেলগুলোতে প্রতিনিয়ত সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত জোড়ায় জোড়ায় কপত-কপতীদের হোটেলে প্রবেশ করতে দেখা যায় এবং কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে আবার নামতে দেখা যায়। এতে আমাদের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে স্কুল-কলেজে যাতায়াতে অনেক ধরনের সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় প্রায়ই। এছাড়াও ফুটপাতে অমক ভাই তমক ভাইদের কার্ড ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে। এসমস্ত অবৈধ হোটেল ব্যবসায়ীদের কারণে আমরা আমাদের ছেলে-মেয়েদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হচ্ছে। কখনো কখনো নেশাগ্রস্থ অবস্থাতেও এই হোটেল থেকে লোকজনকে বের হতে দেখা যায়। হোটেল মালিকরা এলাকার কিছু পাতি নেতাদের ম্যানেজ করে এধরনের ব্যবসা চালিয়ে আসছে বলেও জানান এলাকাবাসীরা। সেই সাথে পুলিশ প্রসাশনের সঠিক হস্তক্ষেপ কামনা করেন তারা।
চলবে…