1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
আমরা প্রতিনিয়ত ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছি : সফিকুজ্জামান - জাতীয় দৈনিক নাগরিক
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী অপতথ্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীগণকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

আমরা প্রতিনিয়ত ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছি : সফিকুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
  • আপডেট সময় : রবিবার, ২৪ মার্চ, ২০২৪
  • ৮৬ বার পঠিত
আমরা প্রতিনিয়ত ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছি : সফিকুজ্জামান

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর কর্তৃক অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের নতুন সভাকক্ষে (১ কারওয়ান বাজার, টিসিবি ভবন, ১২তম তলা, ঢাকা) রবিবার (২৪ মার্চ, ২০২৪ ইং) দুপুর ১২টায় ব্যক্তি পর্যায়ে সাশ্রয়ী মূল্যে গরুর মাংস বিক্রি বিষয়ে প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করা হয়।
প্রেস ব্রিফিং এ প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) জনাব এ. এইচ. এম. সফিকুজ্জামান।
প্রেস ব্রিফিং এ আরও উপস্থিত ছিলেন- অধিদপ্তরের পরিচালক (কার্যক্রম ও গবেষণাগার) জনাব ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেনসহ অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় ও ঢাকা জেলা কার্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভিন্ন মাংস ব্যবসায়ীবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ।
প্রেস ব্রিফিং এর শুরুতেই অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রেস ব্রিফিং এ উপস্থিত সকলকে অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
তিনি সভায় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে অধিদপ্তর কর্তৃক গৃহীত বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে সকলকে অবগত করেন।
মহাপরিচালক বলেন, আমরা প্রতিনিয়ত ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণে কাজ করে যাচ্ছি কিন্তু এই ক্ষেত্রে সফল হতে হলে প্রয়োজন ভোক্তাদের সচেতনতা ও সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টা। এই সচেতনতার অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়েছে এই প্রেস ব্রিফিং।
তিনি বলেন, গরুর মাংস যখন ৮০০-৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রয় করা হচ্ছিল তখন খলিল, নয়ন ও উজ্জলের মত উদ্যোক্তাগণের মাধ্যমে ৬০০ টাকার নিচে কেজি প্রতি গরুর মাংস বিক্রয়ের সাহসী পদক্ষেপের ফলে এই সেক্টরে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসে। অধিদপ্তর কর্তৃক বাংলাদেশ ডেইরী ফার্মারস এসোসিয়েশেন ও বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাথে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সভার এক সপ্তাহ পরে বাংলাদেশ ডেইরী ফার্মারস এসোসিয়েশেন ও বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি একত্রে বসে গরুর মাংসের মূল্য ৬৫০ টাকা নির্ধারণ করে।
তিনি আরও বলেন, রমজানের পূর্বে গরুর মাংসের মূল্য বৃদ্ধি পায়। তখন খলিল, নয়ন ও উজ্জলও মাংসের মূল্য বৃদ্ধি করে তবে সেটা প্রচলিত বাজার দর থেকে ১০০-১৫০ টাকা কম ছিল। অধিদপ্তর কর্তৃক বিশ্ব ভোক্তা-অধিকার দিবস-২০২৪ এ খলিলসহ চারজন ব্যবসায়ীকে ব্যবসায় উত্তম চর্চা অনুশীলনের জন্য বেস্ট প্রাকটিস সম্মাননা প্রদান করা হয়। গত তিনদিন আগে খলিল আমাকে টেলিফোন করে গরুর মাংস ৫৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয়ের ক্ষেত্রে অপারগতার কথা জানান এবং কেজি প্রতি ৬৯৫ টাকা বিক্রয় করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে। এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে এ বিষয়টি স্পষ্ট করার জন্যই আজকের প্রেস ব্রিফিং এর আয়োজন করা হয়েছে।
মিরপুরের মাংস ব্যবসায়ী জনাব উজ্জল জানান, তিনি বর্তমানে গরুর মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে পূর্বের ৫৯৫ টাকা হতে কেজি প্রতি ৩৫ টাকা বৃদ্ধি করে ৬৩০ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি সাধ্য অনুযায়ী সাশ্রয়ী মূল্যে এই বিক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
পুরান ঢাকার মাংস ব্যবসায়ী জনাব নয়ন জানান, অন্যান্য মাংস ব্যবসায়ীগণ হাট থেকে গরু বেশি দামে ক্রয় করে বেশি দামে মাংস বিক্রয় করেন। তাই তিনি বর্তমানে গরুর মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে মিক্সড মাংসের ক্ষেত্রে পূর্বের ৫৭০ টাকার পরিবর্তে ৬০০ টাকা কেজি দরে এবং ঝুলানো মাংস ৬৫০ টাকা দরে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনিও সাধ্য অনুযায়ী এই বিক্রয় কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেন।
শাহজাহানপুরের মাংস ব্যবসায়ী জনাব খলিল জানান, তিনি বর্তমানে গরুর মূল্য বৃদ্ধির জন্য পূর্বের ৫৯৫ টাকা হতে কেজি প্রতি ১০০ টাকা বৃদ্ধি করে ৬৯৫ টাকা কেজি দরে মাংস বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। তবে ভোক্তা স্বার্থে তিনি এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৭:০০ টা থেকে বিকাল ৩:০০ টা পর্যন্ত বিশটি গরু ৫৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি এ কার্যক্রম ২০ রমজান পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার ঘোষনা দেন।
অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বলেন, অধিদপ্তর কোন ব্যবসায়ীকে ব্রান্ডিং করে না। ভোক্তা স্বার্থ রক্ষা করাই অধিদপ্তরের মূল লক্ষ্য। তিনি আজকের এই প্রেস ব্রিফিং এর মাধ্যমে গরুর মাংসের বিষয়ে যে ফলাফল এসেছে তা ইতিবাচকভাবে গণমাধ্যমে প্রচার করার অনুরোধ জানান।
পরিশেষে তিনি প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়াসহ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রেস ব্রিফিং শেষ করেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park