নিজস্ব প্রতিবেদক:
পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, ভারতের নতুন নাগরিকত্ব আইন সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট (সিএএ) তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়। যেহেতু বাংলাদেশ প্রতিবেশী দেশ— সেই হিসেবে আমরা বিষয়টির দিকে নজর রাখছি।
শনিবার (১৬ মার্চ, ২০২৪ ইং) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, শনিবার দুপুরে চট্টগ্রাম নগরীর দেওয়ানজি পুকুর লেনে ওয়াইএনটি সেন্টারে মতবিনিময়কালে সাংবাদিকরা ভারতের নাগরিকত্ব আইন নিয়ে বিভিন্ন দেশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান জানতে চাইলে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
যুক্তরাষ্ট্রের একটি দফতর আবারও বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করেছে—সাংবাদিকদের এমন মন্তব্যের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ যুক্তিসহ ব্যাখ্যা তুলে ধরে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের যেকোনও দফতর তাদের মতামত দিতেই পারে। তারা বলেছে, ‘বিরোধী দল অংশগ্রহণ করেনি।’ বাংলাদেশে ৪৪টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২৯টি রাজনৈতিক দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছে। এবং কোনও বিশেষ রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণ করা না করা, সেটি সরকারের ওপর বর্তায় না, সেটি সেই দলের দায়িত্ব।
যেকোনও দেশের ভিন্নমতকে আমরা সম্মান করি উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশিরভাগ রাষ্ট্র আমাদের সঙ্গে ভবিষ্যতে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছে। পৃথিবীর প্রায় ৮০টি দেশের সরকার এবং রাষ্ট্রপ্রধান আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। এমনকি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টও প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে সম্পর্ক দ্বিতীয় পর্যায়ে উন্নীত করার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন। সুতরাং, আমাদের বিবেচনায় এ অঞ্চলের নিরিখে অত্যন্ত সুন্দর, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে।’