যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস কার্যক্রম নিয়ে অনিয়ম ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বেনাপোল স্থলবন্দরে এক পাসপোর্ট যাত্রী কাস্টমস কার্যক্রম নিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় ওই যাত্রী তার ভোগান্তির কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।
ভুক্তভোগী যাত্রীর অভিযোগ, প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে গিয়ে তাকে নানা ধরনের হয়রানি ও বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা এবং সংশ্লিষ্টদের আচরণে তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। একপর্যায়ে কষ্টে কেঁদে ফেলেন ওই পাসপোর্ট যাত্রী।
ঘটনার পর বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে নিয়মিত যাতায়াতকারী পাসপোর্ট যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তাদের অভিযোগ, কিছু অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর অনিয়ম ও হয়রানির কারণে বেনাপোল স্থলবন্দরের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন, অন্যদিকে সরকারের রাজস্ব আদায়ও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বন্দর সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়মের কারণে বেনাপোল স্থলবন্দরের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
তাদের দাবি, অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই স্থলবন্দর ধীরে ধীরে তার কার্যকারিতা ও সুনাম হারাতে পারে।
তাদের আরও দাবি, বেনাপোল স্থলবন্দর থেকে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব আয় করে। তাই কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারীর ব্যক্তিগত অনিয়ম বা দায়িত্বে অবহেলার কারণে যেন সরকারের রাজস্ব ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কঠোর নজরদারি করতে হবে।
এদিকে, পাসপোর্ট যাত্রীদের হয়রানি বন্ধ, স্বচ্ছতা নিশ্চিত এবং সেবার মান উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।
তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস ও ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তী প্রতিবেদনে তুলে ধরা হবে।
(ধারাবাহিক প্রতিবেদন-১)