1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
লাইটার জাহাজকে গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট - জাতীয় দৈনিক নাগরিক
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী অপতথ্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীগণকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

লাইটার জাহাজকে গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট

।। যশোর প্রতিনিধি ।।
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৮ বার পঠিত
লাইটার জাহাজকে গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের অভিযান ও মোবাইল কোর্ট। (ছবি : প্রেক্ষাপট ডটকম)

যশোর, ০৫ মার্চ ২০২৬ (প্রেক্ষাপট ডটকম):
যশোরের নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় লাইটার জাহাজসমূহকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের গঠিত টাস্কফোর্স বৃহস্পতিবার (০৫ মার্চ) একটি অভিযান ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছে।

অভিযানে নৌপরিবহন অধিদপ্তরের স্পেশাল অফিসার (মেরিন সেফটি) রোকসানা খাইরুন নেছা এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেন। নৌপরিবহন অধিদপ্তর, খুলনার পরিদর্শক প্রসিকিউটরের দায়িত্ব পালন করেন। এসময় বাংলাদেশ কোস্টগার্ড এবং সংশ্লিষ্ট নৌপুলিশ প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করেন।

অভিযানকালে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত গম, মসুরী, সার ও সালফেট বহনকারী ২৬টি এবং মোংলা বন্দর থেকে আগত সার ও কয়লা বহনকারী ১৫টি সহ মোট ৪১টি লাইটার জাহাজ পরিদর্শন করা হয়।

পরিদর্শনে দেখা যায়, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আগত জাহাজের মধ্যে ২০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ২টি জাহাজ খালাসরত অবস্থায় রয়েছে। ১০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৮টি জাহাজ (এর মধ্যে ২টি খালাসরত), ৫ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৩টি জাহাজ (এর মধ্যে ১টি খালাসরত) এবং ৫ দিনের কম অপেক্ষমাণ ছিল ১৩টি জাহাজ (এর মধ্যে ৩টি খালাসরত)।

অন্যদিকে মোংলা বন্দর থেকে আগত জাহাজের মধ্যে ২০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ১টি, ১০ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৩টি (এর মধ্যে ১টি খালাসরত), ৫ দিনের অধিক অপেক্ষমাণ ছিল ৭টি (এর মধ্যে ২টি খালাসরত) এবং ৫ দিনের কম অপেক্ষমাণ ছিল ৪টি জাহাজ (এর মধ্যে ২টি খালাসরত)।

অভিযানকালে যেসব জাহাজ ৭ দিনের বেশি সময় ধরে অপেক্ষমাণ থাকলেও এখনো আনলোডিং ঘাট বা নির্ধারিত তারিখ পায়নি, সেসব জাহাজ দ্রুত খালাসের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

১০ দিনের বেশি সময় জাহাজ অপেক্ষমাণ রাখার দায়ে মালামালের দুই কনসাইনি প্রতিষ্ঠান এস এস শিপিং এবং নোয়াপাড়া ট্রেডিংকে কৃষি পণ্য বিপণন আইনের ১৯(ঠ) ধারা অনুযায়ী ১০ হাজার টাকা করে মোট ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

অভিযানে নোয়াপাড়া নদীবন্দর এলাকায় পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, সকল ঘাটে পণ্য খালাস কার্যক্রম পূর্ণ গতিতে চলমান রয়েছে এবং কোনো ঘাট খালি হওয়া মাত্রই নতুন জাহাজ এসে ভিড়ছে। তবে পণ্যবোঝাই লাইটার জাহাজের তুলনায় ঘাটের সংখ্যা কম হওয়ায় পণ্য খালাসে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। এছাড়া খাদ্যশস্য ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে খালাস করা হওয়ায় এতে তুলনামূলক বেশি সময় ব্যয় হচ্ছে।

নৌপরিবহন অধিদপ্তর জানিয়েছে, লাইটার জাহাজকে ভাসমান গুদাম হিসেবে ব্যবহার প্রতিরোধ এবং বন্দর এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park