1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
ভোক্তা পর্যায়ে বিড়ম্বনা কমাতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়াবো : বাণিজ্যমন্ত্রী - জাতীয় দৈনিক নাগরিক
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী অপতথ্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীগণকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

ভোক্তা পর্যায়ে বিড়ম্বনা কমাতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়াবো : বাণিজ্যমন্ত্রী

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৫৫ বার পঠিত
ভোক্তা পর্যায়ে বিড়ম্বনা কমাতে স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি বাড়াবো : বাণিজ্যমন্ত্রী। (ছবি : প্রেক্ষাপট ডটকম)

ঢাকা, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (প্রেক্ষাপট ডটকম):
ভোক্তা পর্যায়ে কেউ যেন বিড়ম্বনার শিকার না হয় বা কেউ মার্কেট এবিউজ করতে না পারেন সেজন্য আগামী দিন থেকে আমরা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াবো বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। একই সঙ্গে এলপিজির দাম আগের জায়গায় আসবে বলেও জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) বর্তমান বাজার সূল্য ও সরবরাহ সংক্রান্ত উদ্ভূত পরিস্থিতির বিষয়ে এলপিজি আমদানিকারক ও সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিগণের সাথে সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, এলপিজি সংক্রান্ত বেশ কিছু খবর এসেছে গত কিছুদিন যাবত। এপারেন্টলি এলপিজির কিছু গ্যাপ আছে এরকম গণমাধ্যমে এসেছে। রিটেল পর্যায়ে ভোক্তা পর্যায়ে ১২ কেজির সিলিন্ডারের মূল্য যেটি সরকার কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য ১৩৫৬ টাকা সেটি বিভিন্ন জায়গায় তার থেকে বেশি মূল্যে বিক্রি হচ্ছে এরকম সংবাদ এসেছে। আগামী দিনে যেন এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি সন্তোষজনক থাকে এবং খুচরা পর্যায়ে ভোক্তা পর্যায়ে কোন ধরনের অসহনীয় পরিস্থিতি সৃষ্টি না হয়। বাজার স্থীতিশীল থাকে সেই উদ্দেশ্যে আমরা এলপিজি আমদানিকারক এবং সরকারের বিভিন্ন সহায়ক সংস্থা যারা আমরা ফ্যাসিলিটেট করি, রেগুলেট করি, কেন্দ্রীয় ব্যাংক সহ তাদেরকে নিয়ে আমরা বসেছিলাম। এখানে আমরা একটি মিনিংফুল আলোচনা করেছি।

তিনি বলেন, যারা এই সেক্টরের সাথে জড়িত তারা কতগুলি বাস্তব সমস্যা তুলে ধরেছেন। আমরা সেটার নোট নিয়েছি এবং সেগুলি আগামী দিনে যতটুক সম্ভব সমাধান করে তারা যাতে তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম নির্বিঘ্নে চালিয়ে যেতে পারেন সেটির জন্য আমরা সচেষ্ট থাকব।

এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দামটা কি আগের পর্যায়ে থাকবে না কি ওই দামে বিক্রি হবে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার এখানে যারা আছেন তারা আমদানিকারক বা যাদের বোটলিং প্লান্ট আছে এবং আমদানীকারক। কিন্তু খুচরা পর্যায়ে অনেক সময় যারা রিটেল সেল করেন তারা পরিস্থিতির সুযোগ নেয়ার চেষ্টা করেন। এটির সাথে আমদানীকারকের কোন সংশ্লিষ্টতা নাই। ভোক্তা পর্যায়ে যেন এরকম বিড়ম্বনার শিকার না হতে হয় বা কেউ মার্কেট এবিউজ করতে না পারেন সেজন্য আগামী দিন থেকে আমরা স্থানীয় প্রশাসনের মাধ্যমে নজরদারি বাড়াবো।

সেক্ষেত্রে কি দাম আগের জায়গায় যাবে কি না? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগের জায়গায় আসবে। একটা জিনিস কি আমদানি পর্যায়ে মূল্যের ক্ষেত্রে যারা আমদানিকারক তারা কতগুলি যুক্তি উত্থাপন করেছেন। যেটি তাদের ব্যবসা সচল রাখার প্রয়োজনে প্রাইস রিভিউর কথা তারা বলেছে। এটি হচ্ছে তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে। এটি কোন মুখের কোন কথা না। তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে যদি তাদের কথাটা সমর্থনযোগ্য হয়, বিবেচনাযোগ্য হয় তাহলে সেটা তো বিবেচনা করতেই হবে। কেউ তো আর লোকসান করে ব্যবসা করবে না।

এলপিজির দাম কি বাড়ছে এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, না না এই মুহূর্তে এরকম কোন সিদ্ধান্ত নেই।

এলপিজি জন্য ৩৩ টি কোম্পানির লাইসেন্স দেওয়া আছে। সেখানে দেশের ১০ টি কোম্পানি প্রায় ৭০ শতাংশ মত আমদানি করে বাকি কোম্পানিগুলো আমদানি করার ক্ষেত্রে আপনার কোন ধরনের সহযোগিতা বা কোন ধরনের উদ্যোগ নিচ্ছেন কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, একটা জিনিস হলো ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অনেক অপারেটর নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন এটা ঠিক অনেক আমদানিকারক নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন। এটি মার্কেট শূন্যতার একটা উপাদান। পুরাটা না একটা উপাদান। দ্বিতীয়ত হলো আমাদের আমদানি কারকরা প্রায় স্পট মার্কেট থেকে কিনেন। ফিউচার কন্ট্রাক্টে যান না। এজন্য মার্কেট ভলেটিলিটি তাদেরকে অনেক সময় তাৎক্ষণিকভাবে সক্রিয়ও করে আবার নিষ্ক্রিয় করে। আর তৃতীয়ত হচ্ছে অনেকের অনেক ক্ষেত্রে বড় বড় ব্যবসা আছে। ব্যাংকের সিঙ্গেল এক্সপোজাল লিমিট তাদের অনেক অনেকের জন্য একটা অন্তরায়। এই সমস্ত বিষয়গুলি আমাদের সামনে এসেছে। এগুলি নিয়ে আমরা কাজ করবো আগামী দিন।

আর বিপিসি স্টোরেজের একটা সমস্যা আছে এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, হ্যাঁ। আমাদের অন্য বেসরকারি খাতের আমদানী কারকরাও সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। তারা বলেছেন যে এই মুহূর্তে যদি বিবিসি নিজেই আমদানি করতে চায় সেক্ষেত্রে তারা তাদের স্টোরেজ ফ্যাসিলিটিটা ব্যবহার করতে দিবেন। আমরা এটিকে সাধুবাদ জানাই।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান এসময় উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park