নিজস্ব প্রতিবেদক:
বুধবার (৩১ জানুয়ারি, ২০২৪ ইং) সন্ধ্যায় কর্মস্থল থেকে ফেরার পথে হামলার শিকার হন শরিয়তপুরের ডামুড্ডা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নুসরাত তানিম তন্মী। নিম্নমানের ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লিখতে রাজি না হওয়ায় ল্যাব এইড ফার্মার একজন মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ শহীদুল ইসলাম মৃধার সাথে স্থানীয় নেতা জুলহাস মাতবর ও লিখন মাতবর সহ প্রায় ১০-১৫ জন তার উপর এই হামলা চালায়।
হামলায় ডা. তন্মী ও তার স্বামী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. রাফি আহত হন। আহত অবস্থায় বাসায় পৌছালে হামলাকারীরা পুনরায় তাদের উপর চড়াও হয়। বাধা দিতে গেলে ডা. তন্মী’র মা ও হামলার শিকার হোন।
পরবর্তীতে রাতে ডা. তন্মী ও তার মা কে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
ডা. তন্মী হাসপাতালের বিছানা থেকে সরাসরি ফোন দিয়ে কথা বলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন’র সাথে।
মন্ত্রী সামন্ত লাল তৎক্ষণাৎ জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সাথে কথা বলেন এবং যত দ্রুত সম্ভব আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য নির্দেশ দেন।
মামলা দায়ের এর প্রেক্ষিতে ওইদিন রাতেই মূল আসামী মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভ শহীদুল ইসলাম এবং পরদিন সকালে স্থানীয় নেতা জুলহাস মাতবর কে গ্রেফতার করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতারের পাশাপাশি ডা. তন্মী ও তার পরিবারের আহত সদস্যদের চিকিৎসা ও নিরাপত্তা প্রদানে সংশ্লিষ্ট সকলকে সর্বোচ্চ র্নির্দেশনা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন।
উক্ত ঘটনার পূর্বে গত ২৯ জানুয়ারি যশোর চৌগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চিকিৎসাকে কেন্দ্র করে কর্মরত চিকিৎসক ডা. সোহাগ হামলার শিকার হন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী ডাক্তার সামন্ত লাল সেন এর নির্দেশে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন ঐদিন রাতেই মামলা গ্রহণ এবং আসামিকে যশোর থেকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য, মাঠ পর্যায়ের সাধারণ চিকিৎসক নিজের বিপদে সরাসরি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর সাথে ফোনে কথা বলে নিরাপত্তা পাবার বিষয়টি চিকিৎসকদের নিরাপদ কর্মসংস্থান নিশ্চিতে ডা. সেন এর অঙ্গীকার কে আরো সুস্পষ্ট করে তুলে।