1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
চীনের সাথে মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কমার্শিয়াল এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত - জাতীয় দৈনিক নাগরিক
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী অপতথ্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীগণকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

চীনের সাথে মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কমার্শিয়াল এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত

জাতীয় দৈনিক নাগরিক ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ২৫ মার্চ, ২০২৫
  • ২৬ বার পঠিত

।। ফরহাদ হোসেন ।।
ঢাকা, ২৫ মার্চ ২০২৫ (দৈরাস):

নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন “মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন” শীর্ষক প্রকল্পের অধীনে জি টু জি ভিত্তিক সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে (ডিপিএম) কার্য ও পণ্য কার্যক্রম সম্পাদনের নিমিত্ত চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের মধ্যে কমার্শিয়াল এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষরিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) দুপুরে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে উক্ত স্বাক্ষর অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব:) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন উপদেষ্টা বলেন, মোংলা বন্দর দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর। এ বন্দরটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। মোংলা বন্দরকে আঞ্চলিক বাণিজ্যিক কেন্দ্রতে পরিণত করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। এ ধারাবাহিকতায় আজ চীনের চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি)’র সাথে মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের মোংলা বন্দরের সুবিধাদির সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের কমার্শিয়াল এগ্রিমেন্ট স্বাক্ষর সম্পন্ন হলো। নিঃসন্দেহে এ প্রকল্পটি মোংলা বন্দরের সার্বিক উন্নয়নের জন্য এক অনন্য মাইলফলক। আমি বিশ্বাস করি এ প্রকল্প বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দর একটি আধুনিক, স্বয়ংক্রিয় (অটোমেশন) ও গ্রীণ পোর্টে রূপান্তরিত হবে।মোংলা বন্দরকে কোল্ড পোর্টেও রুপান্তরের আশা প্রকাশ করেন তিনি।

নৌপরিবহন উপদেষ্টা দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রকল্পের অনুমোদন দেয়ায় বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি এ প্রকল্পের সাথে জড়িত সকলকে বিশেষ করে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টাদ্বয়ের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

এ সময় নৌপরিবহন উপদেষ্টা চীন সরকার এবং চীনের জনগণের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি) নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত করবেন মর্মে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। উপদেষ্টা মোংলা বন্দর ব্যবহার করে অত্যন্ত সহজভাবে বাংলাদেশ থেকে আমসহ বিভিন্ন ফল-মূল, সবজি ও চিংড়ি মাছসহ অন্যান্য মাছ আমদানির জন্য চীন সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। চীনা রাষ্ট্রদূত উপদেষ্টার এ আহ্বানকে স্বাগত জানিয়ে আসন্ন আমের মৌসুমে মোংলা বন্দর ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে চীনে আম ও আমজাত দ্রব্য আমদানি করা হবে মর্মে আশ্বাস প্রদান করেন। চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টার চীনে আসন্ন সফরকে ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, নিঃসন্দেহে বন্ধু প্রতীম দুই দেশের জন্য এটি এক ঐতিহাসিক ঘটনা। এটি দুই দেশের মধ্যেকার বিদ্যমান বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের প্রতীক। গুরুত্বপূর্ণ এ সফরের মধ্য দিয়ে উভয় দেশের মধ্যকার অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌছে যাবে বলে আমরা আশা করি।

প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৪,০৬,৮২২.৭২ লক্ষ টাকা (জিওবি ৪৭,৫৩২.৯৭ লক্ষ টাকা এবং প্রকল্প ঋণ ৩৫৯২৮৯.৭৫ লক্ষ টাকা) এবং প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল জানুয়ারি, ২০২৫ হতে ডিসেম্বর, ২০২৮ পর্যন্ত। প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য আধুনিক বন্দর সুবিধাসহ কন্টেইনার হ্যান্ডলিংয়ের সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। প্রকল্পের প্রধান প্রধান কাজের মধ্যে রয়েছে ৩৬৮ মিটার দৈর্ঘ্যের দুইটি কন্টেইনার জেটি নির্মাণ; লোডেড এবং খালি কন্টেইনারের জন্য ইয়ার্ড নির্মাণ; জেটি এবং কন্টেইনার মজুদ ও ইকুইপমেন্ট পরিচালন অটোমেশনসহ অন্যান্য সুবিধাদি। উল্লেখ্য, প্রকল্পটি যথাক্রমে একনেক এবং উপদেষ্টা পরিষদের ক্রয়সংক্রান্ত কমিটিতে ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি এবং ১১ মার্চ অনুমোদিত হয়।

চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কন্সট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি)’র পক্ষে মি. কে চেংলিএং এবং মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের পক্ষে মোংলা বন্দরের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল শাহীন রহমান কমার্শিয়াল এগ্রিমেন্টে স্বাক্ষর করেন। অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোহাম্মদ ইউসুফসহ মন্ত্রণালয় এবং চীনা দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park