॥ ফরহাদ হোসেন ॥
ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (দৈজাস):
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ বলেছেন, স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। আমরা দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটা ক্যাবিনেটে পাঠাব। রবিবারের মধ্যে এটার খসড়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হবে।
বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকাল বেলা ৩.৩০ টায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনে কক্ষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্য সচিব আরো বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ছাত্র জনতার জন্য ঢাকায় ১৩টি হাসপাতালসহ দেশের বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
পরবর্তীতে সারাদেশের আহত ছাত্র জনতার সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবার ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলা পর্যায়ের হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসাধীন যাদের ঢাকায় রেফার করা হয়েছে তাদের যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করার জন্য বিনামূল্যে এম্বুল্যান্সযোগে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আহতদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে হাসপাতালগুলোর ডেডিকেটেড অংশে স্থানান্তর করা হয়েছে যেখানে তাদের চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে। আহতদের যথাযথ চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে চিকিৎসা সম্পর্কিত অভিযোগ, পরামর্শ, তথ্য জানার জন্য স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক হটলাইন খোলা হয়েছে। হটলাইনে আসা কলগুলো পর্যালোচনা করে সাথে সাথেই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য সচিব আরও বলেন, সাম্প্রতিক ছাত্র জনতার গণ অভ্যূত্থানে দেশের বিভিন্ন স্থানে আহত ব্যক্তিদের চিকিৎসা ও শহীদ পরিবারকে সহায়তা প্রদানের উদ্দেশ্যে একটি নীতিমালা প্রনয়ণ এবং শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের পরিচিতিসহ একটি পূর্নাঙ্গ তালিকা প্রণয়নের লক্ষ্যে একজন প্রাক্তন স্বাস্থ্য সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। উক্ত কমিটি ইতোমধ্যে একটি খসড়া নীতিমালা এবং আহত-নিহতদের প্রাথমিক একটা তালিকা মন্ত্রণালয়ে দাখিল করেছেন। ইতোমধ্যে আমরা ৭০০ জনেরও বেশি নিহত এবং ১৯০০০ জন আহতের তালিকা পেয়েছি। এ তালিকা সম্পূর্ণ হয়েছে এটা বলা যাবে না। তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই কাজ চলমান রয়েছে।