ঢাকা, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ (দৈরাস):
‘রাজধানীর বাড্ডায় হোটেল রিমন, ইসলামিয়া, অরণ্য, তাজ ও রয়েলের বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকান্ডের অভিযোগ!’ শিরোনামে রোববার (০১ সেপ্টেম্বর) দৈনিক রাষ্ট্রীয় সংবাদ পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ হলে সোমবার (০২ সেপ্টেম্বর) বাড্ডা থানার নতুন অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ডিএমপির লাইনওয়ারের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আবু ছালাম উল্লেখিত প্রতিবেদনের আবাসিক হোটেলগুলোর সকল অবৈধ কর্মকান্ড বন্ধের নির্দেশ দেন।
অথচ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নির্দেশনা উপেক্ষা করেই ‘হোটেল তাজ ফ্রেশ আবাসিক’র অবৈধ কর্মকান্ড চলমান রাখেন এবং মঙ্গলবার রাত ১২:৫৮ মিনিটে অবৈধ হোটেল ব্যবসায়ী হোটেল তাজ ফ্রেশ আবাসিক’র মালিক পরিচয়দানকারী শহিদ নামক ব্যক্তি উক্ত প্রতিবেদকের মুঠোফোনে কল করে বলেন, তুই আমার সম্পর্কে কোনো কিছু না জেনে নিউজ করেছিস ক্যান? তুই… সাংবাদিক সহ অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে ফোন কলটি নিজেই কেটে দেন।
তবে সমাজের অপরাধ বিশ্লেষকরা বলছেন, একজন সুস্থ্য মস্তিষ্কের মানুষ কতটা বিকারগ্রস্ত হলে একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে পারে তা বলা বাহুল্য। অবশ্যই একজন অনুসন্ধানী সাংবাদিক তার প্রতিবেদনের সত্যতা সম্পর্কে সম্যক হয়েই প্রতিবেদন তৈরী ও তা প্রকাশে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে থাকেন।
গত ২০২২ সালেও কয়েকটি গণমাধ্যমে উক্ত হোটেল তাজ ফ্রেশ আবাসিকের অবৈধ কর্মকান্ডের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। যার তথ্য ও প্রমাণ দৈনিক জাতীয় সংবাদ পত্রিকার কাছে রয়েছে।
পরবর্তীতে মঙ্গলবার দুপুরে দৈনিক রাষ্ট্রীয় সংবাদ পত্রিকার প্রতিবেদক বাড্ডা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আবু ছালাম’র
মুঠোফোনে কল করে হোটেল তাজ ফ্রেশ আবাসিক এর মালিক শহিদ কর্তৃক প্রতিবেদককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের বিস্তারিত জানালে তিনি বলেন, আপনার নিউজ পেয়ে আমি আমার থানা এরিয়ার প্রতিটি অবৈধ হোটেল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেই। আমার থানাধিন এসমস্ত অবৈধ কার্যকলাপ চলতে দেয়া হবে না। আমরা আমাদের পক্ষ থেকে এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাগ্রহণ করবো।
চলবে…
(ধারাবাহিক প্রতিবেদন-২)