1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
গুলশান-বনানীতে অবৈধ স্পা সেন্টার ও মাদক বাণিজ্য! ছাত্র
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মসলিন গবেষণায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা, প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রীর জাকজমকপূর্ণ আয়োজনে শুরু হলো ‘বেগম খালেদা জিয়া আইএইচএফ নেশনস ট্রফি’ লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু

রাজধানীর গুলশান-বনানীতে অবৈধ স্পা সেন্টার ও মাদক বাণিজ্য! ছাত্র-জনতা ও সেনাবাহিনীর হস্পক্ষেপ কামনা স্থানীয় বাসিন্দাদের!

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৪ (দৈজাস):
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  • ৩২০ বার পঠিত
রাজধানীর গুলশান-বনানীতে অবৈধ স্পা সেন্টার ও মাদক বাণিজ্য! ছাত্র-জনতা ও সেনাবাহিনীর হস্পক্ষেপ কামনা স্থানীয় বাসিন্দাদের!

ঢাকা, ২৯ আগস্ট, ২০২৪ (দৈরাস):
স্পা সেন্টার একটি শিল্প তবে এর অপব্যবহারে এইডস ছড়ানোর অন্যতম নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে বলে তথ্য রয়েছে। স্পা সেন্টারে থেরাপীর আড়ালে চলে পতিতাবৃত্তি ও মাদক সেবনের মতো অবৈধ কার্যক্রম। এটা এখন এক প্রকার ওপেন সিক্রেট। ২০২২ সালে বেশ কিছু পত্রিকায় এসেছে কক্সবাজারে ৭১০ জন এইচআইভি রোগী সনাক্ত হয়েছে যার মধ্যে রোহিঙ্গা ছিলেন ৬১২ জন।

রাজধানীর গুলশান ও বনানীতে স্পা সেন্টারের আড়ালে শুধমাত্র সিটি করপোরেশন থেকে বিউটি পার্লার অথবা সেলুনের ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করে ছোট ছোট ঘরের আদোলে তৈরি রুমগুলোতে ভেতর থেকে দরজা লক করে চলে এসকল পতিতাবৃত্তি ও মাদক সেবন। এসকল অবৈধ স্পা সেন্টারের শেল্টারের দায়িত্বে রয়েছেন বিগত ফ্যাসিবাদী, স্বৈরশাসক সরকারের আমলে গড়ে ওঠা কিছু গণমাধ্যমের কথিত সাংবাদিক।

দৈনিক ‘রাষ্ট্রীয় সংবাদ’ পত্রিকার অনুসন্ধানে জানা যায়, বনানীর রোড নং-২৭, বাড়ী নং-৩৭, বনানী কবরস্থানের বিপরীত পার্শ্বের ভবনটিতে স্পা সেন্টারের আড়ালে পতিতাবৃত্তি ও মাদক সেবনের আখড়া তৈরি করেছেন খন্দকার আবু বক্কর ওরফে (আবু শহিদ) নামক দৈনিক ‘মাতৃজগত’ পত্রিকার স্টাফ রিপোর্টার পরিচয়দানকারী এক ব্যক্তি। তার ব্যপারে খোজ নিয়ে আরও জানা যায়, এক সময় তিনি মিরপুরের আবাসিক হোটেলগুলোতে সাংবাদিক পরিচয়ের আড়ালে পতিতাবৃত্তির দালালি করতেন।

ছাত্র-জনতা ও সেনাবাহিনীর হস্পক্ষেপ কামনা স্থানীয় বাসিন্দাদের!

ছবি : খন্দকার আবু বক্কর ওরফে (আবু সহিদ)।

ওপর দিকে বনানী থেকে একাধিক মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলায় জর্জরিত হয়ে গুলশান-১ এর রোড নং-১৩০, বাড়ী নং-২৮ (লেকফ্রন্ট মাইনুল ভিলা) এ স্পা সেন্টারের আড়ালে দেহ ও মাদকের রমরমা বাণিজ্য পরিচালনা করছেন আয়েশা সিদ্দিকা লাবণী ওরফে (ইভা)। ইভা নামক এই নারীর সঙ্গে রয়েছেন বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভিন্ন পদ পদবীর পরিচয়দানকারী কথিত সাংবাদিক আবু জাফর। তবে সূত্রের খবর আবু জাফর বিগত ফ্যাসিবাদী ও স্বৈরশাসক সরকারের দলীয় কর্মী হওয়ায় বর্তমানে তিনি ইভার স্পা সেন্টারের ভিতরে প্রবেশ করেন না। বরং স্পা সেন্টারের নিচ থেকেই তার কার্য সম্পাদন করে চলে যান।

ছবি : আয়েশা সিদ্দিকা লাবনী ওরফে (ইভা) ও কথিত সাংবাদিক আবু জাফর।

ছবি : আয়েশা সিদ্দিকা লাবনী ওরফে (ইভা) ও কথিত সাংবাদিক আবু জাফর।

গুলশান-১ এর রোড নং-১৩০, বাড়ী নং-২৮ (লেকফ্রন্ট মাইনুল ভিলা)তে আল আমিন ওরফে (সরদার সাব) নামের এক ব্যক্তির স্পা সেন্টারের আড়ালে রয়েছে পতিতাবৃত্তি ও মাদক সেবনের আখড়া। তবে এটির দায়িত্বে রয়েছেন তাহির হোসেন ওরফে (পাপ্পু) নামক একাধিক মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলার আসামিসহ সোহাগ ও সাকিব আহমেদ ওরফে (সাঈদ), ওরফে (রাকিব) নামক নারী পাচারকারীর চক্রের দালাল।

অনুসন্ধানে জানা যায়:

উক্ত পাপ্পু নিজেও একাধিকবার স্পা সেন্টারের মালিক হয়ে ব্যবসা পরিচালনা করেছেন। তবে বার বার মামলা হওয়ায় এখন অন্যের স্পা সেন্টার দেখাশোনার দায়িত্ব পালন করছেন।

ছাত্র-জনতা ও সেনাবাহিনীর হস্পক্ষেপ কামনা স্থানীয় বাসিন্দাদের!

ছবি : তাহির হোসেন ওরফে (পাপ্পু)।

গুলশান-২ এর রোড নং-৯৫, বাড়ী নং-১, লেভল-২ (প্ল্যাডিনাম মার্কেট) এ ঢাকা স্পা গুলশান (পূর্বের নাম ডায়মন্ড স্পা) নামে একাধিক মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইনে মামলার আসামি নয়ন আকাশ ওরফে (প্রিন্স) ও তার সহধর্মীনি রিয়া আক্তার পতিতাবৃত্তি ও মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছেন দির্ঘ দিন ধরে। সূত্রে জানা যায়, গুলশান-বনানীতে এক সময় একচেটিয়া পতিতাবৃত্তি ও মাদকের ব্যবসা করেছেন এই দম্পতি।

ছাত্র-জনতা ও সেনাবাহিনীর হস্পক্ষেপ কামনা স্থানীয় বাসিন্দাদের!

ছবি : নয়ন আকাশ ওরফে (প্রিন্স) ও তার সহধর্মীনি রিয়া আক্তার।

গত ১১ জানুয়ারি, ২০২৩ তারিখে রাজধানীর গুলশান-২ এর ৪৭নং রোডের ২৫নং আবাসিক ভবনে বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধে অভিযান পরিচালনা করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। সেখানে অভিযান চালাতে গেলে দুই তরুণী ছাদ থেকে লাফিয়ে পড়েন। এর মধ্যে একজন মারা যান। ওই স্পা সেন্টার থেকে পরে সাতজনকে আটক করা হয়। এঘটনায় একটি মামলাও হয় স্পা সেন্টারের বিরুদ্ধে। কিছু দিন বন্ধ থাকলেও ফের ওই স্পা সেন্টারের কার্যক্রম চলছে দেদারসে। জানা গেছে, ঘটনার কয়েক মাস যেতে না যেতেই স্পা সেন্টারের মালিক শাহিনুর আক্তার পায়েল ও তার স্বামী হাসান স্পা নামক দেহব্যবসা চলমান রেখেছেন।

ছাত্র-জনতা ও সেনাবাহিনীর হস্পক্ষেপ কামনা স্থানীয় বাসিন্দাদের!

ছবি : শাহিনুর আক্তার পায়েল।

হোটেল ‘পার্ক ভিউ লিমিটেড’ গুলশান-২ এর রোড নং-৬৮/এ, বাড়ী নং-১৫ এ তানভির আহমেদ অনি নামের এক ব্যক্তি দীর্ঘ
দিন যাবৎ স্পা সার্ভিস এর আড়ালে হোটেলটিতে পতিতাবৃত্তি ও নাইট পার্টির আড়ালে মাদকের রমরমা বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছেন। এ কাজে তার সহযোগি হিসেবে রয়েছেন সবুজ নামের আরও একজন।

ছাত্র-জনতা ও সেনাবাহিনীর হস্পক্ষেপ কামনা স্থানীয় বাসিন্দাদের!

ছবি : তানভির আহমেদ অনি ও তার সহযোগি সবুজ।

গত মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) ছাত্র জনতাদের এক দাবিতে বলা হয় গুলশান-বনানী থেকে এ সমস্ত স্পা সেন্টার নামক অবৈধ প্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দেওয়ার জন্য পুলিশের সঙ্গে এক হয়ে কাজ করবেন তারা।

গত কিছু দিন আগেও গুলশানে স্পার আড়ালে অনৈতিক কাজে বাধ্য করার অভিযোগে সিআইডি কর্তৃক অভিযান পরিচালনা করে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার ২৪ আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

এর আগেও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক পরিচালিত একটি অভিযানে স্পা সেন্টারের মালিকসহ দেহব্যবসায়ীদের মামলা প্রদান করা হয়। কিন্তু একাধিক অভিযানের পরেও স্পা সেন্টারের দৌরাত্ম দিন দিন যেন বেড়েই চলেছে। আর এতে করে ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছে এদেশের যুব সমাজ।

স্থানীয়রা বলছেন, গণমাধ্যমে একাধিকবার প্রতিবেদন প্রকাশ করলে ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে তাদের পালিত পুলিশ প্রশাসন নাম মাত্র মাঝে মধ্যে দু’একটি অভিযান পরিচালনা করত। অভিযান পরিচালনা করে এদের বিরুদ্ধে মামলা দিলেও কিছু দিন পরে আইনের ফাঁকফোকরে বেড়িয়ে এসে পুনরায় এরা আবারো অবৈধ কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত হচ্ছিলো। এতে করে আমরা আমাদের সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে বেশ সঙ্কায় রয়েছিলাম। দিন দিন গুলশানে স্পা সেন্টারের আড়ালে এদের অনৈতিক কার্যকলাপ বেড়েই চলেছে।

এসময় বর্তমান দেশের যোদ্ধা ছাত্র-জনতা ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী যেনো সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এদের অবৈধ কার্যকলাপ নির্মূলে এগিয়ে আসেন এই কামনা করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park