ঢাকা, ১ জুলাই, ২০২৪ (দৈরাস):
রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত গণমাধ্যমকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ সংগঠন ‘উত্তরা প্রেস ক্লাব’র নেতৃস্থানীয় নেতারা বহিরাগতদের দ্বারা প্রতিহিংসার শিকার। গত রবিবার (৩০ জুন, ২০২৪ ইং) সংগঠনের পক্ষ থেকে দেয়া একটি বিবৃতির মাধ্যমে এমনটাই দাবি করা হয় সংগঠনটির পক্ষ থেকে।
উত্তরায় বসবাসরত গণমাধ্যমকর্মী ও সুধী সমাজের উদ্দেশে দেয়া বিবৃতিতে বলা হয়, উত্তরার চন্ডালভোগ মৌজায় খালপারে অবস্থিত ‘উত্তরা প্রেস ক্লাব’র স্থায়ী ভবনের নির্মান কাজ চলমান। সমাজের বিত্তবানদের আন্তরিক সহযোগিতা এবং নির্বাহী কমিটির অক্লান্ত চেষ্টায় চলছে নির্মাণ কাজ। কিন্তু একটি চক্র চলমান কাজটি বন্ধ করা সহ ক্লাব ঘরটি উচ্ছেদ করার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ দেয়াসহ স্থাপনাটি যাতে না হয় এজন্য সব ধরনের অপচেষ্টা করে যাচ্ছে। ঘর উচ্ছেদের সব রকম চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে চক্রটি এখন ক্লাবের নেতাদের বিরুদ্ধে প্রতিহিংসাবসত নানা অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। সদস্য হিসেবে থাকার নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি পাশ না থাকলেও চক্রটির বড় একটি অংশ ক্লাবের সদস্য হওয়ার জন্য নানা রকম চাপ সৃষ্টি করে আসছে দীর্ঘ দিন ধরে। নির্মান কমিটি বা ক্লাবের নির্বাহী কমিটির কেহ নয়, এমন একজনের কাল্পনিক অভিযোগের ভিত্তিতে সেই চক্রটি সামাজিক যোগাযোগ ও ভূঁইফোঁড় সংবাদ মাধ্যমে ভয়ানক অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে ‘উত্তরা প্রেস ক্লাব’র সভাপতি বদরুল আলম মজুমদার বলেন, উত্তরায় বসবাসরত সাংবাদিকদের প্রিয় সংগঠন ‘উত্তরা প্রেস ক্লাব’র ভবন নির্মাণ কাজ আমি গত বছরের আগস্ট মাসে শুরু করি। সেই থেকে একটি চক্র প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে ঘরটির নির্মান কাজ বন্ধ করার জন্য হেন কোন চেষ্টা নাই যা তারা করেনি। সেই চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে সর্বশেষ নির্বাহী কমিটি ও নির্মান কমিটি নেতাদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক রড চুরির ফলাও প্রচারে ব্যস্ত রয়েছে। অথচ এরা ‘উত্তরা প্রেস ক্লাব’র কেহ না।
তিনি আরো বলেন, আমাকে এবং আমার কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির, সিনিয়র সহ-সভাপতি আলাউদিন আযাদ, অর্থ সম্পাদক ফরিদ আহম্মেদ নয়নের বিরুদ্ধে রোড চুরির অভিযোগ আনছে। প্রায় ২০ লক্ষ টাকা খরচের এ উন্নয়ন করছি আমিসহ আমাদের কয়েকজন। আর আমাদেরকেই চোর বানানো হাস্যকর এবং দৃষ্টতা।
এ বিষয়ে আইনি প্রতিকার চাওয়া হবে। উত্তরার সিনিয়র সিটিজেনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ভালোভাবেই অবগত আছেন আমাদের চলমান কাজের ব্যপারে। তাছাড়া এ বিষয়ে তুরাগ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। আমরা সমস্ত বিষয়গুলো আমলে নিয়ে তদন্ত করছি।