ঢাকা ২৪ এপ্রিল, ২০২৪ (দৈরাস):
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নবনির্বাচিত কমিটির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান ছিল মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল, ২০২৪ ইং)। এদিন এফডিসিতে অনুষ্ঠানটি সুষ্ঠুভাবে শেষ হওয়ার পরেই সাংবাদিকদের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় শিল্পীরা। এতে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি হয় এফডিসিতে।
এদিকে সহকর্মীদের মারধরের ঘটনায় শিল্পী সমিতিকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাংবাদিকরা। এই সময়ের ভেতরে কোনো সমাধান না এলে শিল্পী সমিতির সব ধরনের সংবাদ প্রচার থেকে সাংবাদিকরা বিরত থাকবেন বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর জানান, সংবাদকর্মীরা যে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন, সেটা মেনে নিয়েছেন তারা।
বুধবার (২৪ এপ্রিল) সকাল থেকে এই আল্টিমেটামটি কার্যকর হয়েছে। একইসঙ্গে আগামী ২৫ এপ্রিল থেকে তদন্ত কার্যক্রম শুরু করবে শিল্পী সমিতি।
পাশাপাশি হামলার শিকার সাংবাদিকদের চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছে শিল্পী সমিতি। হামলার ঘটনায় যে কর্মীদের যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারও ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলে জানান মিশা সওদাগর।
জানা গেছে, নবনির্বাচিত কমিটির শপথগ্রহণ শেষে শিল্পী সমিতির সদস্য শিবা সানুর সঙ্গে ইউটিউবারদের কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে সাংবাদিকেরা হাজির হলে তাদের সঙ্গেও বাগ্বিতণ্ডা হয়। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। মূলত চিত্রনায়িকা ময়ূরীর মেয়ের সাক্ষাৎকার চাওয়াতেই মারামারির সূত্রপাত ঘটেছে।
ইতোমধ্যে বিষয়টি নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করে শিল্পী সমিতির সভাপতি মিশা সওদাগর ও সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজলের পক্ষ থেকে একটি চিঠিও পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি যত দ্রুত সম্ভব এই ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অঙ্গীকারও করেছে সংগঠনটি।
প্রত্যক্ষদর্শীদের অনেকেই জানান, এই হামলার মূল হোতা খল অভিনেতা শিবা শানু।
এরপর জয় চৌধুরী ও আলেকজান্ডার বো হামলা চালান। হামলার একপর্যায়ে পুরো এফডিসির ফাইট ডিরেক্টরেরাও হামলায় অংশ নেন।
এ ঘটনায় দৈনিক খবরের কাগজের বিনোদন প্রতিবেদক মিঠুন আল মামুন ও তার ক্যামেরাম্যানসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হয়েছেন। আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।