রোকনুজ্জামান রুবেল, জয়পুরহাট প্রতিনিধি:
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে, র্যাব-৫, সিপিসি-৩, জয়পুরহাট এর চৌকস অপারেশনাল দল (৫ এপ্রিল, ২০২৪ ইং) রাত ৩টার সময় নওগাঁ জেলার বদলগাছি থানাধীন গারশাহী এলাকা হতে ভূয়া নিয়োগপত্র প্রদানর মাধ্যম বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয় নেয়া প্রতারক চক্রের মূলহোতা ১। নুরুল ইসলাম (৫৭), পিতা-তছির উদ্দিন মন্ডল, সাং-গারশাহী এবং ২। কুদ্দুস খাঁ (৪০), পিতা-আজু খাঁ, উভয়র সাং-গারশাহী, থানা-বদলগাছী, জেলা-নওগাঁ গ্রেফতার করা হয়।
উল্লখ্য, নুরুল ইসলাম একজন প্রতারক সিন্ডিকেটর মূলহোতা। নুরুল ও তার সহযাগী কুদ্দুস র্দীঘ দিন ধরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকুরী দেয়ার নামে প্রতারণার সাথে জড়িত। মূলহোতা নুরুল চাকুরী প্রার্থীদর আশ্বস্ত করন যে, তার উচ্চপদস্থ সেনা কর্মকর্তাদর সাথে ভালো সর্ম্পক আছে। তারা মিথ্যা আশ্বাস/ভুয়া নিয়োগপত্র প্রদানের মাধ্যমে প্রার্থীদের নিকট থেকে মোটা অংকর টাকা হাতিয়ে নিতো।
২০২৩ সালে বাংলাদেশ সেনাবহিনীতে নিয়োগ চলাকালে নুরুল ও কুদ্দুস সিন্ডিকেট চাকুরী প্রার্থী ওমর ফারুক এর সাথে প্রতারণার মাধ্যম চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে ১২ লক্ষ টাকা চুক্তিতে নগদ ৮ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় এবং একটি ভূয়া নিয়োগপত্র প্রদান করেন।
ওমর ফারুক নিয়াগপত্র পদে যোগদান করতে গেলে ভূয়া নিয়াগ পত্রের বিষয়টি জানতে পারেন এবং নুরুল ও কুদ্দুসের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট র্যাব-৫ ক্যাম্প প্রতারণার অভিযোগ করেন।
অভিযোগে পরে র্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর একটি অভিযানিক দল প্রতারক চক্রের মূলহোতা নুরুল ইসলাম ও সহযাগী কুদ্দুস খাঁ কে গ্রফতারে জন্য বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে নওগাঁ জেলার বদলগাছী থানাধীন গারশাহী এলাকা হতে মূলহোতা নুরুল ইসলাম ও সহযোগী কুদ্দুস খাঁ কে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
পরবর্তীতে গ্রেফতারকৃত আসামীকে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতো নওগাঁ জলার বদলগাছী থানায় হস্তান্তর করা হয়ছে।