1. admin@weeklyprekkhapot.com : admin :
পার্বত্যের উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি : পার্বত্য সচিব মিজানুর রহমান - জাতীয় দৈনিক নাগরিক
রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লালন সাঁইয়ের মানবতা ও সম্প্রীতির দর্শন ধারণ করে মানবিক সমাজ গড়তে হবে : খাদ্যমন্ত্রী দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শ্রী শ্রী মা ভবতাঁরা মন্দির পরিদর্শনে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত কক্সবাজারের ইনানীতে টুপটুপ রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর গভীর শোক প্রকাশ বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী রাজার মাঠে শারদীয় দুর্গাপূজা ও শারদ মেলার বর্ণাঢ্য উদ্বোধন স্কুল পর্যায়ে ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নিতে চীনে যাচ্ছেন সিরাজদীখানের তানভীর ও মাহিম এলাকার উন্নয়নে নিরন্তর কাজ করে যেতে চাই : আসাদুল হাবিব দুলু পরীক্ষা কেন্দ্রে মোবাইলসহ অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে পরীক্ষার্থীর ১ মাসের কারাদণ্ড শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপহার দিলেন প্রতিমন্ত্রী টুকু খাদ্যের পরিমাণ নয়, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী অপতথ্যের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমকর্মীগণকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রীর

পার্বত্যের উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি : পার্বত্য সচিব মিজানুর রহমান

।। নিজস্ব প্রতিবেদক ।।
  • আপডেট সময় : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২৬
  • ৬৪ বার পঠিত
পার্বত্যের উৎসব বাংলাদেশের অনন্য সাংস্কৃতিক ভিত্তি : পার্বত্য সচিব মিজানুর রহমান। (ছবি : প্রেক্ষাপট ডটকম)

ঢাকা, ১৮ জুন ২০২৬ (প্রেক্ষাপট ডটকম):
বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন জাতিসত্ত্বার সংস্কৃতি, ভাষা, ঐতিহ্য ও জীবনধারার এক অনন্য সাংস্কৃতিক উৎসব। এসব উৎসব বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, ঐতিহাসিক ভিত্তি ও মর্যাদাকে ফুটিয়ে তুলে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে যত উৎসব রয়েছে এর সবগুলোই আমাদের।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকালে ঢাকা বাংলাদেশ সচিবালয়ের পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক আন্তঃমন্ত্রণালয় সেমিনারে সভাপতির বক্তব্যে এসব কথা বলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের বর্ষ বিদায়, চৈত্র সংক্রান্তি ও বর্ষবরণ উৎসবকে স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে উন্নীতকরণের লক্ষ্যে সরাসরি ও অনলাইনে (জুম প্ল্যাটফর্মে) এই সভার আয়োজন করা হয়।

সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান তাঁর বক্তব্যে সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের সংস্কৃতির ভাইব্রেন্ট আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। আমরা চাই সামাজিক এই উৎসবগুলো সম্বন্ধে সকলেই জানুক ও পালন করুক। তবে যেহেতু এগুলো পার্বত্যের উৎসব, তাই এর ভেন্যু পার্বত্য অঞ্চলেই হওয়া অধিকতর শ্রেয়। স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় পর্যায়ে উত্তরণে শুধু একটি সেমিনারের মাধ্যমে লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয়, এজন্য তিন পার্বত্য জেলায় আরও কয়েকটি ফলপ্রসূ (ফ্রুটফুল) সেমিনারের আয়োজন করা প্রয়োজন। আজকের সেমিনারটি একটি সফল ও আশাব্যঞ্জক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সেমিনারে “বিজু, সাংগ্রাই, বিষু, বৈসু, চাংক্রান ও চাংলান: সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য, জাতীয় সংহতি এবং স্থানীয় থেকে জাতীয় উৎসবে উত্তরণের রূপরেখা” শীর্ষক মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম।

মূল প্রবন্ধে তিনি পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করেন, পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর এই বর্ষবরণ উৎসবগুলোর কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে প্রকৃতির প্রতি কৃতজ্ঞতা, সামাজিক বন্ধন সুদৃঢ়করণ এবং শান্তি ও সমৃদ্ধির প্রত্যাশা। সাংস্কৃতিক একরূপতা নয়, বরং বৈচিত্র্যের মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতির মাধ্যমেই জাতীয় সংহতির বিকাশ সম্ভব। এই উৎসবগুলোকে জাতীয় সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্তি, শিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিকীকরণ, গণমাধ্যমে প্রচার এবং সুপরিকল্পিত সাংস্কৃতিক পর্যটনের মাধ্যমে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উন্নীত করার কৌশলগত রূপরেখা প্রবন্ধে তুলে ধরা হয়। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা তাদের মতামত ব্যক্ত করে বলেন, এই উৎসবগুলোর মাধ্যমেই সরকারের ‘রেইনবো নেশন’ বা বহুত্ববাদী রাষ্ট্রের অস্তিত্বকে অনুধাবন করা যায়।

সেমিনারে সরাসরি উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, যুগ্মসচিব অতুল সরকার, যুগ্মসচিব কংকন চাকমা, যুগ্মসচিব মো. মমিনুর রহমান, যুগ্মসচিব কাজী তোফায়েল হোসেন, ড. অশোক কুমার বিশ্বাসসহ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি।

এছাড়া অনলাইন জুম প্ল্যাটফর্মে যুক্ত ছিলেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ বিভাগ, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, পরিকল্পনা বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়, কৃষি মন্ত্রণালয়, পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ ও বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তাগণ এবং রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালকবৃন্দ।

Facebook Comments Box
এই জাতীয় আরও খবর
  • উপমা মুদ্রন, ৭৮/১ ফকিরাপুল, মতিঝিল, ঢাকা থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত।
  • সর্বসত্ব সংরক্ষিত © ২০২৬ জাতীয় দৈনিক নাগরিক
  • অনুমতি ছাড়া এই ওয়েব সাইটের যেকোন লেখা, ছবি ও ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনী।
Theme Customized BY Shakil IT Park