ঢাকা, ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ (প্রেক্ষাপট):
ভূমিদস্যুতার কারণে ঢাকা-১১ আসনে কোনো উন্নয়ন হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন এই আসনে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, ঢাকা-১১ আসনে উন্নয়ন না হওয়ার একমাত্র কারণ ভূমিদস্যুতা। এই এলাকার শত শত মানুষকে নিঃস্ব করে দেওয়া হয়েছে। ৫ আগস্টের আগে প্রধান দুই দলের স্থানীয় নেতারাই ভূমি দখল করেছে।
রোববার (০৮ ফেব্রুয়ারি) বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যজোটের নির্বাচনী জনসভায় নাহিদ এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, এখানে পর্যাপ্ত খেলার মাঠ নেই, পর্যাপ্ত স্কুল নেই, কর্মসংস্থান নেই, সরকারি হাসপাতাল নেই, সরকারি হাইস্কুল নেই, বর্ষা হলে রাস্তাঘাট তলিয়ে যায়। আমি নির্বাচিত হলে এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করবো। যারা ভূমি হারিয়েছে তাদের ভূমি ফিরিয়ে দিবো অথবা অন্য ব্যবস্থা করবো।
এনসিপির আহ্বায়ক আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে আধিপত্যবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ মুক্ত করতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যর্থ হলে ৫ আগস্ট ব্যর্থ হয়ে যাবে। ১২ তারিখে এ অঞ্চলের মানুষ ভূমিদস্যু দখলদারদের ব্যালটের মাধ্যমে জবাব দেবে।
এ সময় নাহিদ ইসলাম ১১ দলীয় ঐক্যজোটের সকল প্রার্থীকে ঐক্যবদ্ধভাবে ভোটের মাধ্যমে বিজয়ী করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যজোট সরকার গঠনের ঐক্যজোট।
জনগণ চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজদের লালকার্ড দেখাবে: ড. শফিকুর রহমান
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, যে অপকর্ম করে আওয়ামী লীগ জনগণকে কষ্ট দিয়েছিল, একই অপকর্ম একটি গ্রুপ ৬ আগস্ট থেকে শুরু করেছে। এই গ্রুপটি ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রাস্তার ভিক্ষুকদের কাছ থেকেও চাঁদা নিচ্ছে।
তিনি বলেন, ৫ আগস্টের রক্তের ঋণ শোধের দিন আগামী ১২ তারিখ। এই রক্তের সাথে যারা বেইমানি করবে ইতিহাস তাদের ক্ষমা করবে না। জনগণ দুর্নীতিকে লালকার্ড দেখাবে, চাঁদাবাজ, মামলাবাজ, দখলারদের লালকার্ড দেখাবে। ভুয়া কার্ড ও ভুয়া আশ্বাসের রাজনীতির অবসান ঘটবে।
জামায়াতের আমির বলেন, দেশ ও জনগণের সেবা করার সুযোগ পেলে শহীদ ওসমান হাদি, আবু সাইদের স্বপ্নের বাংলদেশে আমরা গড়ে তুলব। এই জাতির ভাগ্য বদলের জন্য ৫ বছরই যথেষ্ট। দেশের ১৮ কোটি মানুষের হকের পাহারাদার হবে জামায়াত। সবার জন্য সমান আইন নিশ্চিত করা হবে, অপরাধে করলে কোনো দায়মুক্তি নেই। অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা যুবকদের হাতে দায়িত্ব দিতে চাই, বেকার ভাতা দিতে চাই না। কেননা বেকার ভাতার কথা বলার মানেই যুবকদের অপমান করা।
নারীদের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে জামায়াতের আমির বলেন, আমাদের দেশে মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই। অগ্রাধিকার ভিত্তিতে এটা নিশ্চিত করা হবে। নারীদের সম্মান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।